A+ A-

আমার ঝাড়গ্রাম (শেষ পর্ব)

মিশকালো কয়লার ইঞ্জিন, কাঠের বগি, ডায়মন্ডহারবার লোকালে ছেলেবেলায় পিসির বাড়ি বেড়াতে যেতাম। বারুইপুরের পরের স্টেশন কল্যাণপুর, সিঙ্গল লাইনে। স্টেশন থেকে বেরোলেই মন ভালো, অবারিত মাঠ, গগন ললাট। কত সবুজ। পিসির বাড়ি যাওয়ার দিন মানে মনে মনে পাখি হওয়ার দিন। ট্রেনে উঠেই জানালায় গিয়ে দাঁড়াতাম। পিছনে ছুটে যাওয়া দৃশ্যগুলি কখনও পুরনো…

Continue Reading...

‘People who are creative don’t die’

জুন ২২, ১৮৯৭ — প্রকাশচন্দ্র দেব রায়সাহেব উপাধিতে ভূষিত হলেন। রেসিডেন্স – শিলং, অসম। তখন শিলং অসমের অন্তর্গত ছিল। ই হ্যারিসন ১৮৯১-তে রিটায়ার করার পরে প্রকাশচন্দ্র অসম সেক্রেটারিয়েট (সিভিল)-এর প্রথম বাঙালি সুপারিটেন্ডেন্ট নিযুক্ত হন। ১৮৬৪-১৯১৫ অব্দি শিলংয়ের মূল উপনিবেশ ছিল নন-ট্রাইবালদের, মূলত বাঙালিদের। শিলং প্রকৃতপক্ষেই ব্রিটিশদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজের একটা সুন্দর,…

Continue Reading...

আমার ঝাড়গ্রাম (১ম পর্ব)

নতুন জেলা হচ্ছে ঝাড়গ্রাম। চাকরি জীবনের সেরা দেড় বছর কাটিয়েছি জঙ্গলমহলের শহরে। লেকচারার, ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজ, জুলাই ১৯৯৬ থেকে ডিসেম্বর ১৯৯৭। প্রথম কলকাতা ছেড়ে একা বাইরে চাকরি করতে যাওয়া। কিন্তু একাকিত্ব গ্রাস করেনি কোনওদিন। যৌথ জীবনের এক আশ্চর্য পাঠ মিলেছিল ঝাড়গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে। যেমন শান্ত স্নিগ্ধ সবুজ শহর, তেমন…

Continue Reading...